বাংলাদেশের প্রযুক্তিতে আরো বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে আরো বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা। বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এমন আগ্রহ প্রকাশ করেছে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধিরা। বৈঠকে মার্কিন ব্যবসায়ীদের ৪০ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কিন ইক্যুইটি কোম্পানি ব্ল্যাক স্টোন, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা, জ্বালানি খাতের প্রতিষ্ঠান এপিলারেট অ্যানার্জি, শেভরন, এপনমবিল এবং উড়োজাহাজ কোম্পানি বোয়িংয়ের প্রতিনিধিরা।
প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন আমেরিকা বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল ক্যাশপ। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, কয়েক দশক ধরেই আমেরিকান কোম্পানি এখানে কাজ করছে। এ দেশে কর্মসংস্থান ও জিডিপির উন্নয়নে সহায়তা করছে। এখনো আমেরিকার কোম্পানি অনেক খাতেই বিনিয়োগে আগ্রহী। আমেরিকান জায়ান্ট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখানে অনেক বিনিয়োগ করেছে। আমরা এখানে এরো স্পেস, ডিজিটাল ইকোনমি, জ্বালানি, লাইফ সায়েন্স ইত্যাদি বিষয়ে বিনোয়োগে আগ্রহী। আমরা মনে করি এখানে বিনিয়োগের বড় সুযোগ আছে।
বৈঠকের আলোচনা বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, মার্কিন ব্যবসায়ীরা বলছে, আমরা যে স্মার্ট বাংলাদেশ করতে চাই সেখানে তাদের অনেক সুযোগ আছে। তারা মনে করে বাংলাদেশে সম্ভাবনাটা খুবই ভালো। মার্কিন কোম্পানি এখানে অনেক বিনিয়োগ করতে চায়।
এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা আরো জানান, স্মার্ট বাংলাদেশ করলে ক্রস বর্ডার ট্রানজেকশন ইলেকট্রনিক হবে। এটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক, আমাদের ইম্পোর্ট কন্ট্রোল এগুলোর একটা সমন্বয় করতে হবে। কারণ এ লেনদেন অনেক দ্রুত হয়ে যায়। সেগুলো নিয়েও কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, তাদের বলেছি। এসব বিষয় বাংলাদেশ ব্যাংক, আইসিটি মন্ত্রণালয় দেখছে। ইন্টারন্যাশনাল বেস্ট প্র্যাক্টিস যেটা আছে। অন্যান্য দেশে যে রকম আইন আছে, আমরাই সেটাই করবো।







